ক্রিকেটখেলাধুলা

বিরাটের খারাপ পারফরম্যান্সে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বৃদ্ধের

বিশ্বজোড়া বিরাট কোহলির ফ্যান। বাইশ গজে তাঁর বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখলে যেমন গর্বে তাঁদের ছাতি চওড়া হয়, ঠিক তেমনই ভারতীয় অধিনায়ক ব্যর্থ হলে হতাশায় ডুবে যান অনুগামীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন কোহলির মাত্র পাঁচ রানে আউট হয়ে যাওয়ার বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি এক ভক্ত। নিজের প্রিয় তারকার এমন ব্যর্থতা দেখার চেয়ে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছেন তিনি।

 Source

কেপ টাউনে ভারতীয় বোলাররা দুর্দান্ত খেলে ২৮৬ রানে গুটিয়ে দিয়েছিলেন প্রোটিয়াবাহিনীকে। ভারতীয় পেসঝড়ে ডু প্লেসি থেকে ডিভিলিয়ার্স, কেউই টিকতে পারেননি। কিন্তু ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসের শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে টিম ইন্ডিয়া। অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়ার সেদিনই পর প্রথমবার বাইশ গজে নেমেছিলেন বিরাট। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর থেকে ভক্তদের প্রত্যাশা ছিল অনেকখানি। অনেকেই ভেবেছিলেন, দলের করুণ পরিস্থিতিতে ত্রাতা হয়ে উঠবেন নেতাই। যে উদাহরণ আগেও বহুবার রেখেছেন তিনি। কিন্তু তেমনটা হয়নি। মর্নি মর্কেলের বলে ক্যাচ আউট হয়ে পাঁচ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। আর এতেই ভেঙে পড়েন এক বিরাট ভক্ত।

Source

মধ্যপ্রদেশের রাতমাল জেলার বাসিন্দা বাবুবল বৈরভ। ৬৫ বছরের অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মী বিরাটের কোনও ইনিংসই মিস করেন না। বিরাট যখন একের পর এক রেকর্ড গড়েন, তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এই প্রৌঢ়। কিন্তু বিদেশের মাটিতে কোহলির এমন বিশ্রী আউট কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি তিনি। ফলে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ার আগে পরিবার তা দেখতে পেয়ে ছুটে আসে। প্রতিবেশীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্রিকেটপাগল প্রৌঢ়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। মাথা, হাত ও মুখের অনেকটা অংশ পুড়ে গিয়েছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। দো বাট্টি থানার সাব-ইন্সপেক্টর আলওয়া জানান, বিরাটের খেলা দেখে হতাশ হয়েই এই কাণ্ড ঘটান তিনি। সে কথা স্বীকারও করেছেন প্রৌঢ়। এছাড়া আত্মহত্যার চেষ্টার অন্য কোনও কারণ দেখছে না পুলিশ। তবে এই প্রথমবার নয়, এমন ঘটনা আগেও সামনে এসেছে। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পরাস্ত হওয়ার পর এক বাংলাদেশি ফ্যান ট্রেনের সামনে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।

Source

Show More
BLW Artcl

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close