ক্রিকেটখেলাধুলা

যে ৬টি উপায়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে আইপিএলের দল মালিকরা

একাদশ আইপিএলের বোধন হয়ে গিয়েছে গতকাল। সাফল্যের সঙ্গে কেটেছে আগের দশ বছর। ধারাবাহিকতা এবং বিনোদনের ককটেল এই সিরিজের উন্মাদনা বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। আইপিএল মানেই দর্শক, ব্যবসায়ী এবং দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের একত্র মেলবন্ধন।

একাদশ আইপিএলের বোধন হয়ে গিয়েছে গতকাল। সাফল্যের সঙ্গে কেটেছে আগের দশ বছর। ধারাবাহিকতা এবং বিনোদনের ককটেল এই সিরিজের উন্মাদনা বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। আইপিএল মানেই দর্শক, ব্যবসায়ী এবং দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের একত্র মেলবন্ধন। ফলে টাকা রোজগারের আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছে এই সিরিজ। টিম মালিকেরা কীভাবে কামিয়ে নেন কোটি টাকা সেটাই দেখে নেব একনজরে।

১। খেলোয়াড়ের জার্সিতে বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায়। নামীদামি কোম্পানি প্লেয়ারদের জার্সিতে ব্যবহার করে নিজেদের লোগো। এতে মাঠ এবং মাঠের বাইরে দর্শকের নজরে আসা যায় সহজেই। কামানিও হয় সবচেয়ে বেশি।

২। ম্যাচের টিকিট বিক্রি

এমন সফল টুর্নামেন্টের অনুরাগী দর্শক সংখ্যা যে বিশাল সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকেই বাড়িতে আয়েস করে টিভি-তে খেলা দেখার মজা নিলেও মাঠের রোমাঞ্চ নিতে চান সবাই। কোনও ম্যাচের সাক্ষী থাকার সঙ্গে প্রিয় খেলোয়াড়দের নিজের চোখে দেখার তৃপ্তি তো আছেই। ভাগ্য ভালো থাকলে দেখা হয়ে যেতে পারে প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গেও। তাই মাঠের তুলনা মাঠ নিজে।

৩। মিডিয়া স্বত্ব

চ্যানেলকে খেলা দেখানোর জন্য অনুমতি নিতে হয় বিসিসিআই-য়ের কাছ থেকে। অনুমতি মিললে সরাসরি সম্প্রচার করা যায় খেলা। এই অনুমতি বা স্বত্ব বিক্রি হয় বিশাল টাকায়। সম্প্রচার স্বত্বে এখন ভারতীয় বোর্ড তুঙ্গে। এতদিন আইপিএল সম্প্রচার করতো চ্যানেল সোনি ভারত যার গত ১০বছরে চুক্তিমূল্য ছিলো ৮২০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে ৫ বছরের জন্য সম্প্রচারস্বত্ব কিনে নিয়ে নিয়েছে স্টার স্পোর্টস। তাদের চুক্তি ফি ১৬,৩৪৭.৫০ কোটি টাকা। প্রতি ম্যাচের জন্য তারা আইপিএলকে ৫৫ কোটি টাকা দিচ্ছে অর্থাৎ বছরে ৩২৭০ কোটি টাকা। বিসিসিআই নিজের লভ্যাংশ কেটে নিয়ে বাকি টাকা দিয়ে দেয় বিভিন্ন টিমকে। অর্থাৎ বাকি টাকা ঢোকে টিম মালিকের পকেটে।

৪। ব্র্যান্ড ভ্যালু

বিভিন্ন টিমের মালিক নিজেরাই তারকা। যেমন নাইট রাইডার্সের শাহরুখ কিংবা কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের প্রিতীজিন্টা। মালিকদের দেখতেই ভিড় লেগে যায়। স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থা উৎসাহের সঙ্গে টাকা ঢালে এই সিরিজে।

৫। জেতার টাকা

সিরিজ জয়ী কিংবা রানার্স আপ টিমের জন্য থাকে বিশাল অঙ্কের টাকার পুরস্কার। যেটা মালিকদের পকেটেই যায়।

৬। জার্সি, টুপি থেকে টিমের প্ল্যাকার্ড বিক্রি

প্রতি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে আইপিএলের মার্চেন্ডাইজ রেট। বছরে প্রায় ১০০ শতাংশ। টিম মালিকেরা তাঁদের দলের জার্সি, টুপি বিক্রি করেন। এইসব কিনে প্রিয় টিমের স্মৃতি হিসাবে রেখে দেয় অনেক অনুরাগীই। এখান থেকেও টিম মালিকেরা মোটা অঙ্কের টাকা আয় করে নেন এক মাসেই।

সোর্সঃ- এমটিনিউজ২৪.কম/হাবিব/এইচআর

Show More
BLW Artcl

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close